সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ইং, বাংলা ১২, ফাল্গুন ১৪২৬

 ৪র্থ পৌষ মেলা ও ১১ তম লোকায়ন পিঠা উৎসব

 ৪র্থ পৌষ মেলা ও ১১ তম লোকায়ন পিঠা উৎসব
  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০০০০-০০-০০ ০০:০০:০০

স্টাফ রিপোর্টার : খাদ্য রসিক বাঙালি প্রাচীনকাল থেকে প্রধান খাদ্যের পরিপূরক মুখরোচক অনেক খাবার তৈরি করে আসছে। তবে পিঠা সর্বাধিক গুরুত্বের দাবিদার।

পৌষের শুরু থেকেই সারাদেশে প্রচণ্ড শীত পরেছে। আর এই শীতে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে ইএসডিও আয়োজন করেছে ব্যতিক্রমধর্মী এক পিঠা উৎসবের।

মঙ্গলবার বিকেলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিসঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হয় ৪র্থ পৌষ মেলা ও ১১ তম লোকায়ন পিঠা উৎসব । পিঠা উৎসবকে ঘিরে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে নবিন এবং প্রবিনরা।


পিঠা উৎসবে ১০টি স্টল অংশ নেয়। উৎসবে গ্রাম-বাংলার বিভিন্ন ধরনের পিঠা প্রদর্শিত ও বিক্রয় করা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য পিঠাগুলোর মধ্যে ছিল মোরগ পিঠা, পাটি সাপটা, সুজি পুলি নারকোল, দুধ পাটিসাপটা, ঝাল ভাপা, গোলাপ পিঠা, তাল মিঠা, বিস্কুট পিঠা, নারিকেল নারুভাপা।এছারা ভাপা, পাকাল, পুলি, পাটিসাপটা, চিতই, দুধপিঠা, নারকেলপুলি, তেলভাজা, রসফুল, কলাপিঠা, নকসি পিঠা, ক্ষীরপুলি, সন্দেশ পিঠা, হারি পিঠা, মালাই পিঠা, নকশিসহ নানা রকমের পিঠার পসরা সাজিয়ে বসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
৪র্থ পৌষ মেলা ও ১১ তম লোকায়ন পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন,ঠাকুরগাঁও মহিলা কল্যাণ ক্লাবের সভানেত্রী নুশরাত জাহান। পরে পিঠা উৎসব পরিদর্শন করেন,বাংলাদেশ পর্যটন করর্পোরেশনের চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাশ ,জেলা প্রশাসক ড.কে এম কামরুজ্জামান সেলিম,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নূর কুতুবল আলম ,অধ্যক্ষ সেলিমা আখতার প্রমুখ।

পিঠা উৎসবটি সবার জন্য উন্মুক্ত হওয়ায় এলাকার সবাই এখানে পিঠা খেতে ও দেখতে ভিড় জমায় ।

   পিঠা উৎসবের আয়োজক ডঃ মুহম্মদ শহীদুজ্জামান জানান   নতুন প্রজন্মকে   পুরনো ঐতিহ্য সাথে পরিচয়  করিয়ে  দিতেই  এই আয়োজন।
 


এ জাতীয় আরো খবর